
ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক নেত্রী তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন ঢাকা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) মনোনয়ন যাচাই-বাচাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা জারার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেন। জানা গেছে, ভোটার তথ্যে গরমিল থাকায় তাসনিম জারার মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
এর আগে তাসনিম জারা তার নির্বাচনি হলফনামায় বাংলাদেশে বার্ষিক ৭ লাখ টাকার বেশি আয় এবং ব্রিটিশ পাউন্ডে বিদেশি আয়ের তথ্য ঘোষণা করেন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হলফনামায় এসব তথ্য উল্লেখ রয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল করা মনোনয়নপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত হলফনামা অনুযায়ী, বাংলাদেশে চিকিৎসক হিসেবে পেশা থেকে তাসনিম জারার বার্ষিক আয় ৭ লাখ ১৩ হাজার ৫৯৭ টাকা।
এছাড়া তিনি বিদেশি আয় হিসেবে ৩,২০০ পাউন্ড (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৫ লাখ ২৭ হাজার) ঘোষণা করেছেন। সেই হিসেবে তার বার্ষিক আয় ১২ লাখ ৪০ হাজার ৫৯৭ টাকা। একই হলফনামা অনুযায়ী, তার স্বামী খালেদ সাইফুল্লাহর বার্ষিক বিদেশি আয় ৩৯ হাজার ৮০০ পাউন্ড (প্রায় ৬৫ লাখ ৫ হাজার টাকা)।
হলফনামায় আরও বলা হয়েছে, তাসনিম জারার মোট সম্পদের পরিমাণ ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৫০৯ টাকা এবং তিনি আয়কর পরিশোধ করেছেন ৩৪ হাজার ৫৭ টাকা। চাকরি থেকে তার বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৭ লাখ ১৩ হাজার ৩৩৩ টাকা। তার ব্যাংক সঞ্চয় খুবই কম; ব্যাংকে জমা রয়েছে মাত্র ২৬৪ টাকা।
ঘোষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই এবং তার কোনো ঋণ, দায় বা সরকারি বকেয়াও নেই। তিনি কোনো বাড়ি, ফ্ল্যাট, কৃষিজমি বা অকৃষিজমির মালিক নন।
তার ঘোষিত গয়নার মূল্য ২ লাখ ৫ হাজার টাকা। নগদ অর্থ হিসেবে তার কাছে রয়েছে ১৬ লাখ টাকা এবং ২ হাজার ২৭০ পাউন্ড। এছাড়া তার ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে জমা আছে ১০ হাজার ১৯ টাকা। তার স্বামী খালেদ সাইফুল্লাহর নগদ ১৫ লাখ টাকা এবং ৬,০০০ পাউন্ড রয়েছে।
পেশাগতভাবে তাসনিম জারা একজন চিকিৎসক, আর তার স্বামী একজন উদ্যোক্তা ও গবেষক। সাবেক এনসিপি নেতা তাসনিম জারার জন্ম ৭ অক্টোবর ১৯৯৪ সালে। তিনি এমএসসি ডিগ্রিধারী।
আইএ/সকালবেলা